চুয়াডাঙ্গায় বাড়ছে আবাসিক হোটেলের ব্যবসা

0 94

চুয়াডাঙ্গা:পর্যটন বা নিজ এলাকর বাইরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মানুষকে প্রায়ই আবাসিক হোটেলের প্রয়োজন পরে। যা বর্তমান সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সেবার মাধ্যম।

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় খুব কম সময়ে আবাসিক হোটেল ব্যবসায় ঝুঁকে পড়ছে ব্যবসায়ীরা। অল্প সময়ে গড়ে উঠেছে ছয়টি আবাসিক হোটেল।

হোটেল সুরমা, হোটেল আল-আমিন, হোটেল আলাউদ্দিন, রিয়াদ আবাসিক হোটেল, এস এল আবাসিক হোটেল ও সদ্য গড়ে উঠা হিমেল আবাসিক হোটেল।

বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হলেও এর ভেতরে রয়েছে একটু গোপনীয়তা। দর্শনা সীমান্ত জয়নগর চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন অবৈধ পণ্য আসা-যাওয়ার রুট হিসাবে ব্যবহৃত করা হয়। এই সুযোগে অসাধু মহল নিজের বাড়িতে রুম করে হোটেল হিসাবে ভাড়া দেন। এসব স্থানে আত্মীয়ের পরিচয়ে থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এই উপজেলায় রয়েছে ভারতগামী জয়নগর সীমান্ত চেকপোস্ট, দেশের বৃহত্তম কেরু এন্ড কোং ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়।

এখানে উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র বা দর্শনীয় স্থান অথবা কোনো বড় সংস্থা গড়ে ওঠেনি। তাই দিনের পর দিন আবাসিক হোটেলের সংখ্যা বাড়তে থাকায় জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে বিলাসবহুল এ আবাসিক হোটেলগুলো তৈরি করছে। কয়েকটি ঘটনায় জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠে এসেছে।

গত ৩০ মে আল আমিন আবাসিক হোটেলে তালা ভেঙ্গে নগদ ৬৩ হাজার ৭শ’ টাকা ও কয়েক পিস লুঙ্গি নিয়ে যায় চোরের দল। এ বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ বলে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটলে আমরা জানতে পারতাম। এ বিষয়ে পুলিশও কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি।

২জুন সুরমা আবাসিক হোটেলে ছিনতাইকারিরা তাণ্ডব চালিয়ে নগদ ১ লাখ টাকা ও ৭টি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। কিন্তু হোটেল মালিক পক্ষ এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা জানে না। যদিও ঘটে তাহলে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

এলাকার কোন চোর অথবা ছিনতাইকারী এখানে আসেনি। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। অনেকে বলছে চোর ও ছিনতাইকারীরা বাইরে থেকে এসে পরিকল্পিতভাবে কয়েকদিন হোটেলে অবস্থান করছে। এলাকা সম্পর্কে জেনে চুরি ও ছিনতাই করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। তাই পুলিশ এদেরকে শনাক্ত করতে পারছে না।

এ সকল আবাসিক হোটেলগুলোতে যদি প্রতিনিয়ত নজরদারী জোরদার করা দরকার। তাহলে মাদক, স্বর্ণ, ল্যাগেজ ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীদের সহজেই চিহ্নত করা যাবে বলে ধারনা এলাকাবাসীর।

এ বিষয়ে দর্শনা তদন্ত কেন্দ্রের ওসি ইউনুচ আলী জানান, হোটেল মালিকরা প্রতিদিন তাদের রেজিস্টার খাতা দেখিয়ে যায়। সে মোতাবেক প্রতিদিন রাতে প্রত্যেকটি আবাসিক হোটেলে গিয়ে চেক করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.