নোবেল কমিটিতে দুই ইরানি

0 60

ডেস্ক: সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেয়ার দায়িত্বে থাকা দ্য সুইডিশ একাডেমি ইরানের একজন কবি ও বিচারককে তাদের নতুন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

শুক্রবার নোবেল পুরস্কার দেয়ার দায়িত্বে থাকা দ্য সুইডিশ একাডেমি এ খবর জানিয়েছে।

ধর্ষণ কেলেঙ্কারিতে সংস্থাটির কার্যক্রমে তালগোল পাকিয়ে যাওয়ায় এবছর সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে তারা নতুন সদস্য নির্বাচন করল।

একাডেমির মোট ১৮ জন সদস্যের মধ্য থেকে আটজন পদত্যাগ করেছেন অথবা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন। এর সঙ্গে সম্পর্কিত এক ফরাসি নাগরিক সম্প্রতি ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে সাজা পাওয়ায় এটি কিভাবে পরিচালনা করা হবে তা নিয়ে সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়।

৭০ বছরের মধ্যে এবছরই প্রথম সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।

তেহরানে জন্ম গ্রহণকারী জিলা মোসায়েদ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এরিক রুনেসনকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে একাডেমীর ১২ জনের সক্রিয় সদস্যদের কোরাম গঠন সম্ভব হবে।

জিলা মোসায়েদ সুইডিশ ও ফার্সি ভাষায় লেখালেখি করেন।

সুইডিশ একাডেমির সদস্যরা আজীবনের জন্য সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এবং এখান থেকে পদত্যাগও করতে পারতেন না। কিন্তু কয়েকজন সদস্য এখানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণে অস্বীকার করায় সংস্থাটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। সুইডেনের রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফ পদত্যাগ করাকে সম্ভব করতে নতুন নিয়ম চালু করেন।

মোসায়েদ ১৯৮৬ সাল থেকে সুইডেনে নির্বাসনে রয়েছেন। বার্তা সংস্থা টিটিকে তিনি বলেন ‘আমার নিজের পুরনো দেশে আমার কথার সমাদর করত না। কিন্তু আমার নতুন দেশ আমাকে সাহিত্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গায় সুযোগ দিচ্ছে আমার লেখালেখির কারণে।’

অন্যদিকে লুন্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রুনেসন মজা করে একাডেমির অন্য সদস্যদের তুলনায় নিজেকে ‘অশিক্ষিত মূর্খ’ বলে দাবী করেন।

লেখক ও একাডেমির সদস্য পিটার এংলুন্ড টিটিকে বলেন, ভিন্ন জায়গা থেকে আসার ফলে সৎ এই দুইজন মানুষ তাদের ভিন্ন শিক্ষা দিয়ে একাডেমীতে কাঙ্ক্ষিত ও আকর্ষণীয় পরিবর্তন আনবেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.