চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী বাবু খানের পক্ষে জীবননগরে সর্বস্তরের নেতাকর্মিরা একাট্টা

0 399

জীবননগর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচননে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি জীবননগর উপজেলার কৃতি সন্তান বিজিইএম’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান বাবু খানের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মিরা দীর্ঘদিনের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একাট্টা হয়ে মাঠে নামতে সবাই এক কাতারে মিলিত হয়েছে। বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মিদের বক্তব্য তারা আওয়ামীলীগ সরকার কর্তৃক দীর্ঘদিন ধরে নানা ভাবে অত্যাচার-নির্যাতন আর মিথ্যা মামলার জর্জরিত। নেতাকর্মিদের অনৈক্যের কারণে স্থানীয় প্রতিটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। তৃর্ণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মিদের বিশ্বাস দলীয় নেতাকর্মিদের মধ্যে যদি কোন বিভেদ না থাকতো তাহলে সবগুলো নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের নিশ্চিত বিজয় হত। তাই এবার আর তারা সে ভুল করতে চান না। এবার দলীয় নেতাকর্মিরা নিজেদের মধ্যে সব ধরণের ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে তাদের প্রার্থীকে বিজয় করতে মাঠে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করতে চান।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন,কেন্দ্রিয় বিএনপির উপ-কোষাধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিল্পপতি মাহমুদ হাসান বাবু খান ও জেলা বিএনপির নেতা বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার মকলেচুর রহমান তরফদার টিপু। আর এ দু’নেতাকে ঘিরে জীবননগর উপজেলা বিএনিপ কার্যত: দু’টি অংশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একটি অংশের নেতৃত্বে ছিলেন,উপজেলা বিএনিপর সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র হাজী নোয়ার আলী,মাহতাব উদ্দিন চুন্নু,দোজাউদ্দিন,আব্দুল খালেকসহ তাদের অনুসারী নেতাকর্মি। অন্যদিকে অপর অংশে নেতৃত্বে ছিলেন,উপজেলা বিএপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান,সম্পাদক অনোয়ার হোসেন খান খোকন,উথলী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসহ তাদের অনুসারীরা। শেষ পর্যন্ত বিএনপির একক প্রার্থী হিসাবে বাবু খান চুড়ান্ত হিসাবে ঘোষনা হওয়ার পর দু’পক্ষের নেতাকর্মিদের ভেদাভেদের বরফ গলতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা সবাই বাবু খানকে বিজয়ী করতে নির্বাচনী মাঠে এক সাথে কোমর বেঁধে নামার জন্য এক শিবিরে মিলিত হয়েছেন।
নেতাকর্মিদের দাবী মাহমুদ হাসান বাবু খান চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে অত্যন্ত জনপ্রিয় মানুষ এবং জীবননগর উপজেলার কৃতি সন্তান। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত জীবননগর উপজেলার কোন নেতা এমপি হিসাবে নির্বাচিত হতে পারেননি। জীবননগর উপজেলার মানুষ বার বারই নিজ উপজেলার কোন নেতাকে এমপি হিসাবে স্বপ্ন দেখলেও নানা কারণে শেষ পর্যন্ত আর টিকে থাকতে পারেনি। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং বাবু খানকে সামনে রেখে উপজেলাবাসী দলমতের উর্ধ্বে থেকে নিরব ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে বিজয়ী করবে বলে নেতাকর্মিদের বিশ্বাস। আর সেই বিশ্বাস আর বাবু খানের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে এবার জীবননগর উপজেলা থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ার শতভাগ স্বপ্ন দেখছেন উপজেলাবাসী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.