জীবননগরে ইউনিয়ন বিএনপির দুই মেম্বারসহ তিনজন গ্রেফতার

0 145

জীবননগর: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ইউনিয়ন বিএনপির নেতা দুই মেম্বারসহ পুলিশ রোববার দুপুরে তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন। গ্রেফতারকৃত দুই ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলা রায়পুর বাজারে থাকা আওয়ামীলীগের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। তবে বিএনপির দাবী ওই দিন রাতে বিএনপি নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনের পর পরই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মিরা হামলা চালিয়ে সিহাব নামের এক ছাত্রদল নেতাকে আহত ও অফিসের ভিতরে থাকা চেয়ার ভাংচুর করে ক্ষতি সাধন করে। আবার উল্টা তাদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা দিয়ে নেতাকর্মিদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে।
জীবননগর থানা সুত্র জানান,জীবননগর উপজেলার বাঁকা রঘুনন্দনপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আব্দুল মান্নান(৪৮) ও উপজেলার খয়েরহুদা গ্রামের মৃত নইম উদ্দিন মন্ডলের ছেলে কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আবুল কালাম আজাদ ঝন্টু(৪৫) তারা বিএনপির সক্রিয় সদস্য। তারাসহ বিএনপির নেতাকর্মিরা সংঘবদ্ধ হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিকের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও আওয়ামীলীগের গোলাম হোসেন নামে এক কর্মিকে আহত করে। এ ঘটনায় তাদের তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। ওই মামলায় বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান ও আবুল কালাম আজাদ ঝন্টুকে রোববার দুপুরের দিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ এসময় উপজেলা শহরের আশতলাপাড়ার সামছুদ্দিনের ছেলে হাবিবুরে কে গ্রেফতার করেন।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মিদের দাবী যারা এলাকায় ধানের শীষ প্রতিকের নির্বাচনী মাঠে সরব পুলিশ ও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মিরা মিলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা সাজিয়ে গ্রেফতার করছেন। প্রতিক বরাদ্দের পর পরই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মিরা একাধিক স্থানে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ যদি নিরপেক্ষ তদন্ত করে তার প্রমাণ পাবেন। অথচ পুলিশ মিথ্যা মামলায় বিএনপির নেতাকর্মিদেরকে গ্রেফতার ও বাড়ী বাড়ী তল্লাসী চালিয়ে হয়রানি করছেন।
জীবননগর থানার সাব-ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিরাজুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেফতারকৃতরা বিএনপির নেতাকর্মি। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা থাকায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.