সকল কে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন অপ্রতিরোধ্য প্রেমের কবি ময়নুল হাসান

0 114

হুমায়ন আহমেদ: সকল কে কাঁদিয়ে, না ফেরার দেশে চলে গেলেন অপ্রতিরোধ্য প্রেমের কবি ময়নুল হাসান (৫৭)। আজ সোমবার বেলা ১২ টার দিকে, তিনি ঢাকার গ্রিনরোডস্থ গ্রিন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি……রাজেউন)।

অপ্রতিরোধ্য প্রেমের কবি ময়নুল হাসান, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জ জেহালা গ্রামের  অবসরপ্রাপ্ত  শিক্ষক শামসুল হকের মেজ ছেলে। মৃতকালে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান গল্পকার ও কবি মোহনা হাসান প্রেমা সহ অসংখ্য ভক্ত ও গুণগ্রাহী রেখে যায়।

অপ্রতিরোধ্য প্রমের কবি ময়নুল হাসানের মৃত্যুতে গভির শোক প্রকাশ করেছে, গাংচিল প্রকাশনিরর এমডি হাজী খান আক্তার হোসেন, তিনি বলেন, কবি ময়নুল হাসান ছিলেন, সুদক্ষ সংগঠক পরিচালক, তার জন্য এতো সলপো সময়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা লেখক সংঘকে এগিয়ে আনতে পেরেছে। তবে সবকিছুর মালিক মহান আল্লাহ, আমি ও আমার গাংচিল প্রকাশনি তার মৃত্যুতে গভির শোক প্রকাশ করছি।

এমএ কামাল প্রকাশনির এমডি আবুল কালাম আজাদ, বলেন ময়নুল হাসান একজন ভালো কবি বলেল শেষ করা যায় না, তিনি ছিলেন একজন সৎ মানুষ, যার তুলনা করা সম্ভাব হবে না, আমি ও আমার প্রকাশনি সদস্যরা তিনার মৃত্যুতে গভির শোক প্রকাশ করছি।

চুয়াডাঙ্গা জেলা লেখক সংঘের সভাপতি ডা.শাহীনুর হায়দার বলেন, ময়নুল হাসান ছিলেন লেখক সংঘের প্রাণ পুরুষ, তার অকালে চলে যাওয়াতে আজ লেখক সংঘের পুরা পরিবার পঙ্গু মনে হচ্ছে। যেনো লেখক সংঘে আজ সাগরে জলে ভেসে গেছে। আজ লেখক সংঘের পৃথিবীটা যেনো আধার নেমে এসেছে। লেখক সংঘ পরিবার থেকে তার বিদায়ই আত্তার কামনা করছি।

জেলা লেখক সংঘের  সহসভাপতি আকলিমা খাতুন বলেন, কবি ময়নুল হাসান ছিলো আমার বড় ভাই, আজ মনে হচ্ছে যেনো লেখক সংঘের মেরুদন্ড ভেঙ্গে গেছে, তিনার মৃত্যুতে। আমি মুরহমের বিদায়ই রুহের আত্তার মাগফিরাত কামনা করছি।

জেলা লেখক সংঘের  নাট্য সম্পাদক ও সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন লাভলু অপ্রতিরোধ্য প্রেমের কবি ময়নুল হাসান, ছিলেন আমার সাহিত্য পিতা, আমাকে লেখক সংঘে এনে কবি, সাংবাদিক, নাট্যকার, গীতিকার তৈরিকরে, মানুষের ভিরে আমাকে রেখে চলে গেলেন, আপন বাড়িতে, আজ তিনি আর আমার খোজ নেবে না। আমার সাহিত্য পিতার অকালে মৃত্যুতে আমি গভির শোক প্রকাশ করছি। এবং সকলের কাছে আমার সাহিত্য পিতার বিদায়ই রুহের আত্তার মাগফিরাত কামনাই দোয়া প্রার্থনা করছি।

দামুড়হুদা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুল আলীম বলেন, ময়নুল হাসান ছিলন আমার বড় ভাই, আমাকে সবসময় তিনি ডেকে সংগঠনে কি ভাবে কাজ করতে হবে সেটা আমাকে হাতে কড়ি শিক্ষাতেন, আজ তিনার মৃত্যুতে আমার সাহিত্য পরিষদের পক্ষথেকে গভির শোক প্রকাশ করছি।

আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ওমর আলী মাষ্টার বলেন, ময়নুল হাসান একজন সৎ সংগঠক, পৃথিবীর নিয়ম এটায় সবাইকে যেতে হবে কেউ একদিন  আগে কেউ বা পরে, আমি তার বিদায়ই রুহের মাগফেরাত কামনা করছি ও তার পরিবারের মঙ্গল কামনা করছি

সহসভাপতি এ্যাডভোকেট হামিদুল ইস আজম বলেন, আজ চুয়াডাঙ্গা জেলা বাসি একজন সৎ সংগঠক কে হারালো, আর আমরা হারালাম উজ্জ্বল ময় কবি কে, তার মৃত্যুকে আমি গভির শোক প্রকাশ করছি।

এদিকে কবির ভক্তদের কান্না জলে ভেসে চুয়াডাঙ্গা জেলা লেখক সংঘ, তাদের কথা ছিলো আজ আমাদের গুরুজিকে আমরা আজ হারিয়েছি, আজ থেকে কেউ আর আমাদের ডেকে আদর করে বলবে না কবিতা পাঠ করতে, কে আমাদের ভুল ধরে সংশধন করবে।

উল্লেখ গত বুধবারে তিনি মাথাঘুরে পরে যায় ততখনি তিনাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কর্তব্যরত জানান তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। উন্নতি চিকিৎসার জন্য পরের দিন বৃহস্পতিবার তিনাকে ঢাকা গ্রিনরোডস্থ গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জীবনী: চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য জগতের শ্রদ্ধার একটি নাম অপ্রতিরোধ্য প্রমের কবি ময়নুল হাসান।  সোনালী ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখার সিনিয়র অফিসার এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি দেশে  অন্যন্যা, নন্দিতা,এমএ কামাল বুক, গাংচিলসহ বিভিন্ন প্রকাশনি থেকে, গল্প, উপন্যাস ও কবিতার বই প্রকাশ করেছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.