যশোরে বন্দুকযুদ্ধে অপহরণকারী নিহত

0 26

 

যশোর: যশোরের মণিরামপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক অপহরণকারী নিহত হয়েছে।

বুধবার ভোরে উপজেলার নেহালপুর সড়কের কামালপুর জোড়া ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বিল্লাল হোসেন মণিরামপুরের খেদায়পুর গ্রামের মোস্তফা’র ছেলে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে লিমা খাতুন ও আমিন সরদারের ছেলে মাসুম বিল্লাহকে আটক করেছে পুলিশ।

শিশু তারিফের মামা মাসুম বিল্লাহ বলেন, তারিফের বাম চোয়ালে কোপের চিহ্ন রয়েছে এবং তার ঘাড় মচকানো ছিল। উদ্ধারের সময় মরদেহ থেকে রক্ত ক্ষরণ হতে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনায় বিল্লাল ছাড়াও আরো অনেকে জড়িত আছে।’

শিশু তারিফের মামা আক্তার হোসেন বলেন, ‘রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বল হাতে নিয়ে তারিফ তার জমজ ভাই তাসিফের সঙ্গে মাঠে খেলতে যায়। সন্ধ্যায় তাসিফ বাড়ি ফিরলেও ফেরেনি তারিফ। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তারিফকে না পাওয়ায় পরের দিন সোমবার মণিরামপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সকালে তারিফদের বাড়ির পাশে একটি চিঠি পাওয়া যায়। চিঠিতে লেখা ছিল ‘তারিফকে আমরা অপহরণ করেছি। পাঁচ লাখ টাকা দিলে তাকে মুক্তি দেব।’

যশোরের এএসপি আনসার উদ্দিন বলেন, নিহত বিল্লাল গত ৬ জানুয়ারি রোববার মণিরামপুরের গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র তারিফ হোসেনকে অপহরণ করে। এরপর সে তার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা মঙ্গলবার দুপুরে কেশবপুরের একটি বিকাশের দোকানে আনতে যায় বিল্লাল। এ সময় তারিফের মামা কেশবপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বিল্লালকে আটক করে। এরপর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতে মণিরামপুরের নেহালপুর সড়কের কামালপুর জোড়া ব্রিজের কাছ থেকে তারিফের লাশ উদ্ধার করতে যায় পুলিশ।

এ সময় বিল্লালের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি বর্ষণ করলে বন্দুকযুদ্ধে বিল্লাল নিহত হয়। পরে ওই ব্রিজের নিচ থেকে তারিফের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত তারিফ ও বিল্লালের লাশ যশোর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

মণিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম এনামুল হক বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের গুলিতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি শুটারগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি এনামুল হকের।

Leave A Reply

Your email address will not be published.