মাগুরায় লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক চামড়া সংগ্রহ করছে ব্যবসায়ীরা

0 30

 

মাগুরা প্রতিনিধি:মাগুরায় ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর চামড়ার লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক চামড়া সংগ্রহ করেছে আড়তদাররা। অন্যদিকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা এবারো বেশি দামে চামড়া ক্রয় করে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে বেশি লাভের আশায় অনেকে বাড়িতে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে রেখেছে। ফলে ১০ শতাংশ চামড়া নষ্টের আশঙ্কা করা হচ্ছে । জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় কোরবানি দেওয়া হয়েছে ৯ হাজার গবাদিপশু। তবে চামড়া ব্যবসায়ীরা বলেছেন, জেলায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার গরু-ছাগল কোরবানি দেওয়া হয়েছে। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেশি দামে চামড়া ক্রয় করে বিক্রি করতে গিয়ে এবছরও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। গত বছর গরুর যে চামড়া এক হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই চামড়া এবার তিনশ’ টাকা থেকে পাঁচশ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি গরুর চামড়া প্রকার ভেদে তিনশ’ টাকা থেকে পাঁচশ’ টাকা, গাভী গরুর চামড়া দু’শ’ টাকা থেকে আড়াইশ’ টাকা এবং খাসির চামড়া ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বিক্রির চামড়ার দাম আরো কম। মাত্র ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা। মৌসুমীর ব্যবসায়ীরা এবারও বেশি দামে চামড়া ক্রয় করে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে বেশি লাভের আশায় অনেকে বিক্রি না করে বাড়িতে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে রেখেছে। ফলে ১০ শতাংশ চামড়া নষ্টের আশঙ্কা করা হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক চামড়া সংগ্রহ করেছে আড়তদাররা।

মৌসুমী ব্যবসায়ী উত্তম কুমার দাস মন্টু বলেন, ট্যানারি মালিকদের নির্ধারিত রেট থেকেও কম দামে মাগুরায় চামড়া ক্রয় করা হয়েছে। আড়তদাররা তাদের বকেয়া টাকা দেননি। গত বছরের পাওনা আড়াই লাখ টাকার মধ্যে তাকে ঈদের আগে চামড়া কেনার জন্য দেওয়া হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার টাকা। ফলে পুঁজি সংকট রয়েছে।

চামড়া ব্যবসায়ী রাজু খান বলেন, তার ট্যানারি মালিকদের কাছে ২২ লাখ টাকা বকেয়া থাকলেও ট্যানারি মালিকরা কোনো টাকা দেয়নি।

চামড়া ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াহাব বলেন, ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে গতবছরের চামড়ার বকেয়া দাম পাননি। পুঁজি সংকট রয়েছে। তবে তারা প্রতিটি গরুর চামড়া প্রকার ভেদে সাতশ’ টাকা থেকে ৯শ’ টাকা এবং খাসির চামড়া ৫০ টাকা থেকে ১২০ টাকা দরে ক্রয় করছেন।

 

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.