শিলিগুড়ি, দার্জিলিংয়ের সঙ্গে ঢাকার সড়কের যোগাযোগের সিদ্ধান্ত

বঙ্গোপসাগরীয় আঞ্চলিক সংযুক্তির উদ্যোগের অংশ হিসেবে শিলিগুড়ি ও দার্জিলিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ। এই উদ্যোগ ফলে দু’দেশের আঞ্চলিক সংযুক্তি আরও উন্নত করবে। ভারতের অনলাইন দ্য ইকোনমিক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। 

এমনই এক সময়ে বাংলাদেশ সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছেন যখন ভারতের নগরিকত্ব সংশোধন অইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে দেশটিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ‘থিম্যাটিক গ্রুপ অন রিজিয়নাল কানেক্টিভিটি’ বৈঠকের পর সম্প্রতি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঢাকা যত দ্রুত সম্ভব বংলাদেশ ভারতের সঙ্গে এটি নিয়ে কাজ শুরু করেবে বলে বৈঠকে জোরালো করে ফুটিয়ে তুলেছেন।

কারণ, বিবিআইএন-এমভিএ থেকে অস্থায়ীভিত্তিতে নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভুটান। এ করণে বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল (বিবিআইএন) মোটর ভেলিক্যাল এগ্রিমেন্ট (এমভিএ) বিলম্বিত হচ্ছে। এ জন্য ঢাকা তার স্বার্থে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ বিষয়ে ইকোনমিক টাইমসকে বাংলাদেশ সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ঢাকার সঙ্গে শিলিগুড়ি-দার্জিলিং রুটে বাস চালুর পরিকল্পনাটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখন ভারতের সাথে যোগাযোগ বিদ্যামন তবে সরসরি নয়। যাত্রীদের সিমান্তে গিয়ে গাড়ি পরিবর্তন করতে না হয় এমন পরিকল্পনায় এবারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

২০১৫ সালের ১৫ ই জুন চারটি দেশ পণ্য ও যাত্রী চালাচল নিয়ে স্বাক্ষর করে মোটর ভেহিক্যাল এগ্রিমেন্ট। এই চুক্তির অধীনে চুক্তিবদ্ধ দেশগুলো তাদের দেশেল ভিতর দিয়ে ট্রাক, কন্টেইনার, যাত্রীবাহী যান চলাচল করতে অনুমোদন দেবে।

গেল বছর আজারবাইজানের বাকুতে নন-অ্যালাইড মুভমেন্ট সামিট হয়। সেখানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিওর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখেন। সেখানে তারা সিদ্ধান্ত নেন ভুটানকে বাদ রেখেই সড়ক যোগোযোগ নেটওয়ার্ক প্রকল্প চালু করবেন। সম্প্রতি নয়া দিল্লি সফরে শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সঙ্গে ভারত বাংলাদেশ মোটর ভেহিক্যাল এগ্রিমেন্ট নিয়ে আলোচন করেন।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.