সোলেইমানি হত্যায় ৭ মাস আগে অনুমোদন দেন ট্রাম্প

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলেইমানিকে হত্যায় ৭ মাস আগে অনুমোদন দিয়েছিলে মার্কিন প্রেসিডেন্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তাতে সময় ও শর্ত উল্লেখসহ কোন চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ সাবেক ও বর্তমান ৫ প্রশাসনিক কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও আগ্রাসনে কোনও মার্কিনির মৃত্যু হয়। শুধু তখনই সোলেইমানিকে হত্যায় অভিযান চালানো যাবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি আগ্রাসনের কথা বলে সোলেইমানিকে হত্যায় যুক্তি দেওয়া হলেও নতুন ফাঁস হওয়া নথি বিষয়টিকে আরও জটিল করে দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর বিশ্বাস করে, মধ্যপ্রাচ্যসহ ইরাকে কয়েকজন মার্কিনির মৃত্যুর জন্য ইরানের এই শীর্ষ কমান্ডার দায়ী। কিছুদিন আগে ইরান কর্তৃক একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার পর সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশনাসহ অনুমোদন দেয়া হয়েছিল।

ইরাকে ইরানি ছদ্মছায়ায় মিলিশিয়া বাহিনীর হামলায় এক মাকির্কন বেসামরিক ঠিকাদার নিহত ও চার মার্কিন সৈন্য আহত হয়। তখন মার্কিনিদের ওপর হামলার জবাবে যেসব বিকল্প তুলে ধরা হয়, তার মধ্যে কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

যার ফলশ্রুতিতে ৩ জানুয়ারি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের অভিজাত কুদস ফোর্সের প্রধান ও দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলেইমানি।

সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন এই ইরানি কমান্ডার। এছাড়া একই ঘটনায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও হামলায় সমর্থন জানিয়ে ফক্স নিউজকে বলেছিলেন, কাসেম সোলেইমানি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.