কুয়াকাটায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি হোটেল-মোটেল মালিকদের

পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রাপ্তির লক্ষ্যে আলাদা সাব-স্টেশনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় হোটেল- মোটেল মালিকরা। পল্লী বিদ্যুতের পরিবর্তে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সরবরাহ নিশ্চিতের আহ্বান তাদের।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এর আয়োজন করে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, রোটারি ক্লাব অব কুয়াকাটা বিচ এবং কুয়াকাটা ক্লাব লিমিটেড।

 

হোটেল-মোটেল মালিকদের অভিযোগ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার পর্যটক সমাগম বেশি থাকলেই কৃত্রিমভাবে বিদ্যুৎ সংকট সৃষ্টি করা হয়। পর্যটকরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে কুয়াকাটা ভ্রমণের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। অনেকে তিন দিন থাকার পরিকল্পনা নিয়ে এলেও একদিন পরেই ফিরে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিসে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।

 

সরকারঘোষিত শতভাগ বিদ্যুতায়নের সুফল থেকে কুয়াকাটা বঞ্চিত বলেও দাবি করেন এই ব্যবসায়ীরা। তাদের বক্তব্য, প্রতিদিনই ১০-১২ বার করে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। দিনে ১০ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না। বিদ্যুতের ভোল্টেজ এতই কম থাকে যে, হোটেল-মোটেলসহ সব প্রতিষ্ঠানের ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে। এ কারণে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

 

হোটেল মালিকরা বলেন, কুয়াকাটা শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, বরং সারাদেশের অর্থনীতিতে বিশাল সম্ভাবনা। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে কুয়াকাটাকে পর্যটন নগরী ঘোষণা করেন। সরকার কুয়াকাটাকে সাজাতে একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনা করছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জেনারেল এম. এ মোতালেব শরিফ, রোটারি ক্লাব অব কুয়াকাটা বিচের সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান সোহেল প্রমুখ।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.