তামিমের কাছে হেরে গেলেন রিয়াদ

তামিম ইকবাল রান না পেলেও তার দল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবঠিকই জয় তুলে নিয়েছে।  অন্যদিকে তামিমদের কাছে হারের জন্য নিজেকে দায়ী করতেই পারেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার ধীরগতির এক ইনিংসের ম্যাচে দল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স যে মাত্র হেরেছে ৯ রানে।

মিরপুরে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৫১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তামিম ইকবালের প্রাইম ব্যাংক। ৪৭ বল খেলে তামিম করেন মাত্র ১৯ রান। তবে রনি তালুকদারের ৭৯ রানের পর শেষদিকে নাহিদুল ইসলাম আর নাঈম হাসানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু পুঁজি পর্যন্ত যেতে পেরেছে প্রাইম ব্যাংক।

৪৩ বলে ৩টি করে চার ছক্কার নাহিদুল খেলেন ৫৩ রানের হার না মানা ইনিংস। ৩৬ বলে ৬ বাউন্ডারিতে নাঈম করেন অপরাজিত ৪৬ রান। ১৫৫ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে তারা গড়েন ৯৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।

গাজী গ্রুপের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৫৩ রানে ৩টি উইকেট নেন তিনি। ২ উইকেট শিকার নাসুম আহমেদের।

তবে বল হাতে সাফল্য দেখালেও ব্যাট হাতে দলকে ডুবিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। ২৫২ রান তাড়া করতে নেমে তিনি খেলেন ৩২ রানের ইনিংস, যে ইনিংসে বল খরচ করেছেন ৬০টি। ১ রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি পাননি সৌম্য সরকার। ৫১ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় বাঁহাতি এই ওপেনার করেন ৪৯ রান।

মুমিনুল (৪২ বলে ২৮), মাহমুদউল্লাহ, আরিফুলরা (৩৬ বলে ২০) বেশি বল খরচ করায় পরের দিকে বিপদে পড়েছে গাজী গ্রুপ। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী আর আট নম্বরে নেমে মেহেদী হাসান চালিয়ে খেলেছেন। কিন্তু দলকে জয় পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেনি। আকবর ২৮ বলে করেন ৩১ রান। মেহেদী ৪৯ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৫৬ রানে অপরাজিতই থেকে যান।

প্রাইম ব্যাংকের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ১০ ওভারে ৪২ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। ২টি করে উইকেট পান নাহিদুল ইসলাম আর অলক কাপালিও।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.