গণফোরামের নতুন সভাপতি মন্টু, সম্পাদক সুব্রত

আনুষ্ঠানিকভাবে দুই ভাগ হয়ে গেলো ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম। এদিকে নতুন অংশের সভাপতি হিসেবে মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

 

সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন গণফোরামের আরেক নেতা সুব্রত চৌধুরী এবং সহসভাপতি হয়েছেন আবু সাইয়িদ।

শুক্রবার ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন নেতৃত্বাধীন গণফোরামের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠান হয়। এতে ১৫৭ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

গণফোরামের এই অংশে ড. কামাল হোসেনের অংশের কেউ ছিলেন না। তবে ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য পাঠিয়েছেন ড. কামাল হোসেন। এসময় কাউন্সিলের নতুন সভাপতি মোস্তফা মোহসীন তা পড়ে শোনান।

 

অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি এই কাউন্সিলের স্বাগত জানিয়েছেন সেই সাথে সফলতা কামনা করছেন।

 

শুভেচ্ছাবার্তায় ড. কামাল হোসেনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে মোস্তফা মোহসীন বলেন, আমি সব সময় ঐক্যের কথা বলেছি।

 

আশা করি, গণফোরামের সব নেতা–কর্মী ও সমর্থকগণ ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাবেন।

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গঠিত হওয়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা এই কাউন্সিলে উপস্থিত হয়েছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে গণফোরামের এই অংশকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক দিলারা বেগম, জাসদ একাংশের নেতা নাজমুল হক প্রধান, জেএসডি নেতা তানিয়া রব ও বিকল্পধারার একাংশের নেতা বাদল।

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই গণফোরামে ভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব শুরু হয়। আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী প্রয়াত শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গণফোরামে যোগ দিয়ে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

২০১৯ সালে গণফোরামের কাউন্সিলের পর ৫ মে দলের সভাপতি ড. কামাল হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রেজা কিবরিয়াকে সাধারণ সম্পাদকের পদে বসান। এর পর থেকে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীনসহ দলের কিছু জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে রেজা কিবরিয়ার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

 

একপর্যায়ে দলে দুটি ভাগ হয়ে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার চলে। বিরোধী পক্ষের নেতৃত্ব দেন মোহসীন। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেজা কিবরিয়ার পদত্যাগের পর দুই অংশের এক হওয়ার কথাও শোনা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ভাগ হয়েই গেল।

 

 

আরও পড়ুন

শিক্ষা  অপরাধ  স্বাস্থ্য  অর্থনীতি  রাজনীতি  আন্তর্জাতিক  খেলাধুলা  লাইফস্টাইল  সারাদেশ

নতুন নতুন 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.