চার বছর পর মুক্তি পেলেন সাবেক এমপি রানা

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামি সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা টাঙ্গাইল কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা প্রায় চার বছর বিভিন্ন কারাগারে হাজতী থাকার পর মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগেই জামিনে ছিলেন রানা।

অপরদিকে, জেলা যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় তিনি জামিন পেলেও তা স্থগিত ছিল। পরে সোমবার ওই জামিন আপিল বিভাগে বহাল রাখায় তিনি মঙ্গলবার জামিনে বের হন।

এর আগে টাঙ্গাইল জেলা কারাগার এলাকাসহ শহরের কয়েকটি পয়েন্টে পুলিশ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। পুলিশ ও কারারক্ষীরা কারাগারের আশেপাশে কাউকে ভিড়তে দেয়নি।

এদিকে সকালে থেকেই তার কর্মী-সমর্থকরা কারাগার গেটে ভিড় করতে থাকে। এ সময় কারারক্ষী ও পুলিশ তাদের দূরে সরিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

এছাড়াও টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগ নেতা মামুন-শামীম হত্যা মামলার জামিন গত সোমবার আপিল বিভাগে বহাল থাকায় মঙ্গলবার তিনি টাঙ্গাইল কারাগার থেকে মুক্তি পান।

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সাবেক এমপি রানা ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪জন আসামি রয়েছে।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.