বিয়ের প্রলোভনে ‘ধর্ষণ’ আওয়ামী লীগ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান বহিষ্কার

ডেস্ক : এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে শারীরিক সম্পর্ক করে ধর্ষণ মামলায় ফেঁসে যাওয়া বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুককে আওয়ামী লীগ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। অনৈতিক কাজে লিপ্ত থেকে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস আমাদের সময়কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর ভাটারা থানায় বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন এক তরুণী। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গোলাম ফারুকের গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার ডান্ডোয়া এলাকায়। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তার নিজস্ব ফ্ল্যাট রয়েছে। তবে সেখানে কেউ থাকে না। গোলাম ফারুক মাঝে-মধ্যে বানারীপাড়া থেকে এসে ওই ফ্ল্যাটে ওঠেন। আর ওই ফ্ল্যাটেই মেয়েটিকে টানা এক মাস ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণী রাজধানীর পল্লবী এলাকায় থাকেন। তার বাড়িও বানারীপাড়ায়। পড়ালেখার পাশাপাশি পল্লবীর একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতেন তিনি। গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে মেয়েটির মুঠোফোনে অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল আসে। রং নম্বর হওয়ায় মেয়েটি তা রিসিভ করেননি। এরপরও একই নম্বর থেকে কল করা হতো তাকে। একপর্যায় ফোন রিসিভ করলে তাদের পরিচয় এবং কথা হয়। সেই থেকে তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভনে মেয়েটিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ফ্ল্যাটে নিয়ে ধর্ষণ করে আসছিলেন গোলাম ফারুক। সম্প্রতি তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে নানা কৌশল করতে থাকেন গোলাম ফারুক। বিয়ে করবেন-এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ঘোরাতে থাকেন। প্রত্যাখাত হয়ে শেষ পর্যন্ত ফারুকের বিরুদ্ধে মেয়েটি ভাটারা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পিএনএস/
You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.