সুরক্ষিত সংসদ ভবনে ঢুকে পড়ল শিয়াল!

একটি দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা হল পার্লামেন্ট বা সংসদ। এই জায়গাটিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাই দেয়া হয়। হঠাৎ করেই সুরক্ষিত সংসদ ভবনে ঢুকে পড়ল একটি শিয়াল। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ সংসদ ভবনে। শিয়ালটিকে দেখে অবাক বনে গেছেন সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে উপস্থিত অফিস স্টাফরা।

কাউকে আ’ক্রমণ না করলেও ধূর্ত এই প্রাণিটি ঘুরে বেড়িয়েছে পোর্ট কালিস হাউজ ভবনের চারতলা পর্যন্ত।শিয়ালটি মূল ভবনে সংসদ সদস্যদের প্রবেশের জন্য ব্যবহৃত এসকিলেটর দিয়ে উপরে উঠে আসে। আর উদ্ধার হবার আগ পর্যন্ত পার্লামেন্ট অফিস ভবনের ক্যাফেটেরিয়া

থেকে শুরু করে আরো বেশ কিছু স্থান ঘুরে দেখার সুযোগ পায় ধূর্ত এই প্রাণিটি। কনজারভেটিভ পার্টির এক এমপি জুলিয়া লোপেজ তার টুইটার পেজে লেখেন, রাতে ওয়েস্টমিনিস্টার অফিস ত্যাগ করার মুহূর্তে তিনি এসকিলেটর দিয়ে শেয়ালটিকে পোর্ট কালিস হাউজে প্রবেশে করতে দেখেন।

আরো পড়ুন:মাটি খুঁড়ে উদ্ধার ৫০ লাখ টাকা ও গয়না, খড়ের চালে এক লাখ টাকা!:মাটি খুঁড়ে উদ্ধার ৫০ লাখ ও গয়না, খড়ের চালে এক লাখ টাকাচুরি হয়েছিল গড়িয়াহাট এলাকার হিন্দুস্থান পার্কে। আর তা উদ্ধার হল সুদূর মুর্শিদাবাদের লালগোলা থেকে। মাটি খুঁড়ে মিলল চুরি যাওয়া সোনা ও হীরের গয়না। আর গোয়ালঘরের খড়ের চাল থেকে পাওয়া গেল নগদ এক লাখ টাকা। ব্যাপার দেখে তাজ্জব গড়িয়াহাট থানার অফিসাররা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক পরিচারিকা সহ তিনজনকে।

হিন্দুস্থান পার্কের বাসিন্দা শিবাঙ্গী আগরওয়াল ৬ ফেব্রুয়ারি থানায় আসেন। তিনি অভিযোগ জানান, বাড়ি থেকে সোনা ও হীরের গয়না চুরি গিয়েছে। সেগুলি আলমারিতে রাখা ছিল। সেই সঙ্গে গায়েব হয়েছে নগদ এক লক্ষ টাকা। সকালে তিনি যখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান, তখন সমস্ত কিছুই ঠিক ছিল। বিকেলে বাড়ি ফিরে এসে দেখেন, এগুলির কোনওটিই নেই। কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করে গড়িয়াহাট থানার পুলিস। বাড়িতে গিয়ে পুলিস দেখে, আলমারির লক ভাঙা হয়নি। ঘরের সমস্ত তালাও ঠিকঠাক রয়েছে। সেখান থেকেই অফিসারদের সন্দেহ হয়, এর পিছনে ভিতরের কেউ জড়িত রয়েছে। ডুপ্লিকেট চাবি তৈরি করে গোটা ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে।

চুরির তদন্তে গড়িয়াহাট থানার ওসি সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও চুরি দমন শাখার ওসি চিত্রদীপ পাণ্ডের নেতৃত্বে একটি টিম তৈরি হয়। জানা যায়, ঘটনার দিন বাড়িতে ছিল পরিচারিকা অঞ্জলি দাস। তাকে জেরা করে প্রথমে বিশেষ কিছু পাওয়া যায়নি। এর মাঝে পুলিসের কাছে খবর আসে, ৬ তারিখ ওই বাড়িতে দুজন বাইরের লোক এসেছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা বেরিয়ে যায়। অঞ্জলিকে ফের জেরা করতেই জানা যায়, তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল সৎ ছেলে লাল্টু ও তার স্বামী শেখ ইমরান। তারা মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। রয়েছে ওই জেলাতেই। সেখানে হানা দিয়ে লাল্টুকে আটক করা হয়।

তাকে জেরা করে জানা যায়, সে ও ইমরান মিলে গড়িয়াহাট থেকে চুরি করা গয়না নিয়ে এসেছে। ইমরানের স্ত্রী ডুপ্লিকেট চাবি তৈরি করে গয়না চুরির পর তাদের হাতে তুলে দিয়েছে। লালগোলা থেকে ইমরানকে আটক করা হয়। দু’জনেই জানায়, সোনা ও হীরের গয়না মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে। এরপর লাল্টুর পীরতলার বাড়িতে হানা দিয়ে মাটি খুঁড়ে ৫০ লক্ষ টাকা দামের সোনা ও হীরের গয়নার পুরোটাই উদ্ধার করে পুলিস। গোয়ালঘরের খড়ের আটচালায় লুকিয়ে রাখা নগদ এক লক্ষ টাকাও মেলে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকেই।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.