সোনারগাঁয়ে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গিট্টু হৃদয় এর সহযোগীরা অধরা

সোনারগাঁও( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও উপজেলার গিট্টু হৃদয় বন্দুক যুদ্ধে  নিহত হলেও তার সহযোগিরা গ্রেপ্তার হয়নি। তারা রয়ে গেছে অধরা। যদিও  গিট্টু হৃদয় অনুগামীরা এখনো দাবড়ে বেড়াচ্ছে পুরো এলাকা।র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয় নামের সোনারগাঁয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদকের মূল ডিলার নিহত হয়েছেন। তিনি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ১৭ মামলার আসামি ছিলেন। হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ হাজারের উপর। তবে, অনেকে তার ভয়ে থানায় গিয়ে মামলা করতে সাহস পায়নি। পুরো সোনারগাঁয়ের মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রন ছিলো হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয়, বিশাল, সানি,  আবু তাহেরের  ফ্রিজ মেকার লিটন,  সিরাজ, এর হাতে।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সকালে সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চেংঙ্গাকান্দি এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশির সময় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত হৃদয় সোনারগাঁ উপজেলার মোগড়াপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর এলাকার মৃত সবুজ মিয়ার ছেলে। তিনি থানা পুলিশের মাদক ব্যবসায়ীর তালিকার এক নম্বর ব্যক্তি বন্দুকযুদ্ধে হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয় নিহত হওয়ার পর থেকেই তার বিশাল অস্ত্রভান্ডার ও তার হয়ে কে কে কাজ করতো এবং অবৈধ কোটি কোটি টাকা কোথায় রয়েছে তা নিয়ে  জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা জল্পনা।

র‍্যাব এর  সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গিট্টু  হৃদয়(২৭) নিহত  হলেও  চাঁদাবাজি, অপহরণ, মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্ম করে বেড়ালেও ওই সকল সহযোগীরা, ধরা ছোয়ার বাহিরে। গিট্টু হৃদয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন বিশাল। সানি,  আবু তাহের সিরাজ লিটন ।এদের বিরুদ্ধে  সোনারগাঁও থানায় রয়েছে ডাকাতি,  চাঁদাবাজি মাদক, পুলিশ এর উপর হামলা সহ একাদিক মামলা। অদৃশ্য ছিলেন সিরাজ, ফ্রিজ মেকার লিটন।   

একটি সূত্র নিশ্চিত করে, হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয়ের মূল  চাঁদবাজি নিয়ন্ত্রণ করতেন  মোগরাপাড়া ইউপির বাড়িমজলিশের গ্রামের ভারাটিয়ার  সিরাজুল ইসলাম ।হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয় ও তার সহযোগীদের পালিয়ে থাকতে হলেও কখনো পালাতে হয়নি সিরাজকে। অদৃশ্যভাবে সিরাজ  নিয়ন্ত্রন করতো হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয়ের  চাঁদবাজি।

জানা গেছে, উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় নতুন সেবা হাসপাতাল মার্কেটের একজন সামনে প্রতিষ্ঠিত  বাপ্পি রাইছ এজেন্সির  চাউল ব্যবসায়ী সিরাজ ছিল গিট্টু হৃদয়ের চাঁদ  কালেকশনের মুল হোথা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি এই প্রতিবেদকে জানায়, সর্বশেষ বাড়ি মজলিশের জামান প্রধান এর নিকট থেকে চাঁদ আদায়কৃত দুই লক্ষ টাকার চেক নিয়ে সিরাজ এখন বিপাকে আছেন। সে এলাকায়  প্রতিষ্ঠাত চাউল ব্যাবসায়ী হওয়ায় কখনোই প্রশাসনের সন্দেহের আওতায় আসেনি।

একটি সূত্র নিশ্চিত করে, হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয়ের  মাদক ব্যাবসা  নিয়ন্ত্রণ করতো ফ্রিজ মেকার  লিটন।হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয় ও তার সহযোগীদের পালিয়ে থাকতে হলেও কখনো পালাতে হয়নি লিটন কে ।অদৃশ্যভাবে ফ্রিজ মেকার লিটন  নিয়ন্ত্রন করতো হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয়ের অবৈধ  মাদক  ব্যাবসা।

গিট্টু হৃদয়ের অরেক ঘনিষ্ঠ  সহযোগী  ছিলেন আবু তাহের।তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে গোপনে বাড়ি মজলিশ বাড়ি চিনিস এলাকায় নারি দেহ ব্যাবসা নিয়ন্ত্রণ করতো।

কিশোর, গ্যাং-এর মুল হোতা ছিলেন বাড়ি চিনিস এলাকার রুস্তম এর পালিত ছেলে। ইয়ানুর হোসেন সানি।তার নিয়ন্ত্রণনে ছিলো ডাকাতি ছিনতাই, হামলা  মানুষ কে ব্লাকমেল করে টাকা আদাই করা ছিল তার কাজ।     

উল্লেখ্যযে, স্থানীয় মহাজোটের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার মালিকাধীন মার্কেট এখানে এমপির কার্যালয় প্রকাশ্য দিবালোকে শিশু সন্তানের সামনে পিরোজপুুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলে রাসেল গিট্টু হৃদয়ের সহযোগীদের সহযোগীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী বিশাল বাহিনীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন আহতের বাবা। বিশাল গ্রেফতার গুঞ্জনএলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গ্রেফতারের বিষয় প্রশাসনিক ভাবে তথ্য পাওয়া যায় নি। গিট্টু হৃদয়ের সহযোগীদের আতংকে আছে সাধারণ মানুষ ।সোনারগাঁও থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন। গিট্টু হৃদয়ের সহযোগীদের  ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.