স্বামী বিদেশ থাকলে স্ত্রীর করণীয়

স্বামী বিদেশ থাকলে স্ত্রীর উচিত ধৈর্যের সাথে সময়গুলো অতিবাহিত করা। স্বামীর হক যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখা। বিশেষভাবে লজ্জাস্থানের হেফাজত করা, কষ্টকর হলে রোজা রাখা, পর্দা করা, সৎকর্মগুলো সম্পাদন করা, লোভ সংবরণ করা, স্বামীর সম্পদের হেফাজত করা, স্বামীর দেয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা যেমন: তার সন্তানদের কুরআন শিক্ষা দেয়া, প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ও তার দেয়া আমানতসমূহ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি।
যখনকোন মহিলারস্বামীবিদেশেথাকেন,তখনতারদ্বীনওদুনিয়াবিষয়কসকলকিছুরদায়িত্বশীলাহনস্ত্রী।স্বামীঘরেথাকতেযেদায়িত্বতিনি (স্ত্রী)পালনকরতেন, ঘরেনাথাকলেওঅনুরূপদায়িত্বপালনেতৎপরথাকবেন।আল্লাহররসূলসা.বলেন, ‘তোমাদেরপ্রত্যেকেইদ্বায়িত্বশীলএবংপ্রত্যেককেইতারদায়িত্ব-বিষয়ে(কিয়ামতে) জবাবদিহি করতেহবে।ইমাম(রাষ্ট্রনায়কতাররাষ্ট্রের) একজনদায়িত্বশীল, সেতারদায়িত্ব-সম্পর্কেজিজ্ঞাসিতহবে।পুরুষতারপরিবারেদায়িত্বশীল, সেতারদায়িত্ব- বিষয়েজিজ্ঞাসিতহবে।মহিলাতারস্বামী-গৃহেরদায়িত্বশীল, সেতারদায়িত্ব- বিষয়েজিজ্ঞাসিতাহবে।চাকরতারমুনিবেরঅর্থেরদায়িত্বশীল, সেতারদায়িত্ব- বিষয়েজিজ্ঞাসিতহবে।তোমাদেরপ্রত্যেকেইএকএকজনদায়িত্বশীলএবংপ্রত্যেকেইতারদায়িত্ব- বিষয়েজিজ্ঞাসিতহবে।”(বুখারী৮৯৩, ৫১৮৮প্রভৃতি, মুসলিম১৮২৯)

দায়িত্বশীলাআদর্শস্ত্রীরদুইচেহারাহতেপারেনা।তারমধ্যেমুনাফিকী, কপটতাওপ্রবঞ্চনাথাকতেপারেনা।সামনেএক হাত, পিছনেঅন্যএকহাতহতেপারেনা।অদৃশ্যের প্রতিঈমানইবড়ঈমান।অদৃশ্যের প্রতিভয়আসলভয়।পিছনেশ্রদ্ধাপ্রকৃতশ্রদ্ধা।পিছনেরপ্রশংসাইপ্রকৃতপ্রশংসা।স্বামীদূরেথাকলেওতাকেযে স্ত্রীমেনেচলে, সেইহলখাটিস্ত্রী।
মহানআল্লাহবলেন, পুরুষেরানারীদেরউপরকৃর্তত্বশীলএজন্যযে, আল্লাহএকেরউপরঅন্যেরবৈশিষ্ট্যদানকরেছেনএবংএজন্যযে, তারাতাদেরঅর্থব্যয়করে।সেমতেনেককারস্ত্রীলোকগণহয়অনুগতএবংআল্লাহযাহেফাযতযোগ্যকরেদিয়েছেনলোকচক্ষুরঅন্তরালেওতারহেফাযতকরে।আরযাদেরমধ্যেঅবাধ্যতারআশঙ্কাকর,তাদেরসদুপদেশদাও, তাদেরশয্যাত্যাগকরএবংপ্রহারকরো।যদিতাতেতারাবাধ্যহয়েযায়, তবেআরতাদেরজন্যঅন্যকোনপথঅনুসন্ধানকরোনা।নিশ্চয়আল্লাহসবারউপরশ্রেষ্ঠ।(সূরা-নিসা-আয়াত৩৪)

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.