পায়রা বন্দর থেকে ৮৯৫ কিলোমিটার দূরে জাওয়াদ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেমে হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। শনিবার ৪ ডিসেম্বর সকাল থেকে আকাশ ঘন মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে।

 

এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

 

বর্তমানে সাগর উত্তাল রয়েছে। গভীর সাগরে মাছ ধরা সকল ট্রলারকে ফিরে এসে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

 

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, ঘর্নিঝড়টি শনিবার সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১০৩০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৮৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিলো।

 

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝড়ো আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে হঠাৎ বৃষ্টিসহ শীতের তীব্রতা বাড়ায় জনজীবন হয়ে পড়েছে বিপর্যস্ত। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে কর্মজীবীসহ নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ।

 

ক্ষতির শঙ্কায় পড়েছে কৃষকরা। বৃষ্টির তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে ক্ষতি হতে পারে ক্ষেতের পাঁকা আমন ধান। রবি শস্যসহ তরমুজের প্রস্তুত ক্ষেত নষ্ট হতে পারে।

 

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল মন্নান বলেন, বৃষ্টির তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে ক্ষেতের ধানসহ রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারী বৃষ্টিপাত এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

 

 

আরও পড়ুন

শিক্ষা  অপরাধ  স্বাস্থ্য  অর্থনীতি  রাজনীতি  আন্তর্জাতিক  খেলাধুলা  লাইফস্টাইল  সারাদেশ

পায়রা পায়রা 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.