ফ্রান্সে সুখী নন মেসিপত্নী

কোপা আমেরিকা জয়ের উৎসব শেষে অঝোরে কাঁদতে হয়েছিল লিওনেল মেসিকে। শতচেষ্টা করেও প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনায় থাকতে পারেননি তিনি।

চোখের চলে বুক ভাসিয়ে অনেকটা আকস্মিকভাবেই প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে যোগ দেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।

ফ্রান্সে

পিএসজিতে এখনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি মেসি। ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে মাত্র একবারই গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি।

 

পিএসজিতে বার্সার মেসিকে না পেয়ে অনেকেই ভাবছেন, ফ্রান্সে সুখে নেই মেসি। ফরাসি কন্ডিশনে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছেন না আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।

 

এমন ভাবনাকে আরও ত্বরান্বিত করল একটি তথ্য। যখন জানা গেল, মেসির স্ত্রী ও সন্তানরাও ফ্রান্সে এখনও মানিয়ে নিতে পারেননি নিজেদের।

 

এল ন্যাশনাল ও ইংলিশ দৈনিক মিরর জানিয়েছে, মেসির সহধর্মিণী আন্তেনেল্লো রোকুজ্জো প্যারিসে সুখী নন। তিনি বার্সেলোনায় ফিরে যেতে চান। বিষয়টি নিয়ে নাকি ইতোমধ্যে স্বামী মেসির কাছে আবদার করেছেন।

 

শুধু রোকুজ্জোই নন, মেসির তিন সন্তানও মানিয়ে নিতে পারছে না প্যারিসে।  বিশেষ করে মাতৃভাষা স্প্যানিশ ছেড়ে ফরাসি ভাষা শিখতে হচ্ছে তাদের। এ ভাষা বলতে এখনও অভ্যস্ত হয়ে উঠেনি তারা। তা ছাড়া বার্সেলোনার আবহাওয়াকে ও বন্ধুদের মিস করছে মেসির সন্তানরা।

 

প্যারিসের বৃষ্টি, বাতাস ও আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না মেসির পরিবারের কেউ-ই। তাই মেসির স্ত্রী ও সন্তানরা পাকাপাকিভাবেই স্পেনে ফিরতে চান। কাতালানের রাজধানীর ক্যাসেলডিফেলে অবস্থিত মেসির বাড়িতে ফিরতে চান তারা। সেখানের প্রতিবেশীদের সংস্পর্শ পেতে চান।

 

এদিকে বার্সেলোনা থেকেও মেসিকে ফিরে পাওয়ার একটা আকুতি দেখা যাচ্ছে। কারণ বার্তেমেউ, লাপোর্তা, কোম্যানের কেউ-ই নেই এখনকার বার্সেলোনায়।

 

বার্সার নতুন কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছেন মেসির এক সময়ের সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজ। ক্লাবটিতে ফুটবলার হিসেবেই ফিরেছেন মেসির আরেক বন্ধু দানি আলভেজ।

 

মিররের দাবি, জাভি ও আলভেজ দুজনই চাইছেন মেসি যেন বার্সায় ফিরে আসেন।

 

যদিও মেসির বার্সেলোনায় ফেরাটা একেবারেই সহজ নয়।  মেসিকে চালিয়ে নেওয়ার মতো আর্থিক সচ্ছলতাও নেই ক্লাবটির।  আর তা হলেও বেশ জটিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই মেসিকে পেতে হবে কাতালানদের।

 

 

 

আরও পড়ুন

শিক্ষা  অপরাধ  স্বাস্থ্য  অর্থনীতি  রাজনীতি  আন্তর্জাতিক  খেলাধুলা  লাইফস্টাইল  সারাদেশ

ফ্রান্সে ফ্রান্সে 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.