একদিনে দুই দিবস, মধুর সমস্যায় যুগলরা

ফেব্রুয়ারি মাসের ১৩ তারিখ ফাল্গুন মাসের প্রথম দিন পালিত হতো, আর ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় ভালোবাসা দিবস। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে সংশোধনের কারণে এখন থেকে দুটি দিবসই বাংলাদেশে একই দিনে পড়বে। দিবস দুটি একদিনে হওয়া মধুর সমস্যায় পড়েছেন যুগলরা। আবার কেউ কেউ সুবিধার কথাও বলছেন। তবে সাংস্কৃতিকভাবে একইদিনে দুইটি বড় দিবসে বাঙালি যুগলদের কাছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস থেকে পহেলা ফাল্গুনের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ডজন খানেক যুগলের উপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ যুগল ভালোবাসা দিবস থেকে পহেলা ফাল্গুনকে এগিয়ে রাখছেন। যেখানে ৪ শতাংশ মনে করেন পহেলা ফাল্গুন নয় তাদের কাছে ভালোবাসা দিবসের গুরুত্ব বেশি। ১৬ শতাংশ যুগল মনে করেন, দুইটা গুরুত্বপূর্ণ দিবস একদিনে হওয়ায় খরচ এবং পরিশ্রমের মাত্রা দুইটাই তুলনামূলকভাবে কমে এসেছে। যেটা তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। এছাড়া বাকি ১০ শতাংশ যুগল ভিন্নভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন।

এ জরিপে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সক্রিয় সিঙ্গেল কমিটির সদস্যরাও অংশ নিয়েছেন। তাদের অধিকাংশ সদস্যরা ভালোবাসা দিবস থেকে পহেলা ফাল্গুনকে এগিয়ে রেখেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সাইমুন রাসেল বলেন, আমাদের কাপলদের খরচের অন্ত নেই। তার উপর এসব দিবস আসলে তো কথাই থাকে না। প্রেমিকের মন রক্ষায় অনেক সময় অনেক কিছু না চাইলেও করতে হয়। একইদিনে এবারের গুরুত্বপূর্ণ এসব দিবসগুলো আমাদের মত যুগলদের খরচ কমিয়ে আনবে। এছাড়া একদিনে দুই গুরুত্বপূর্ণ দিবসের সাধ নিতে পারবো। এটা ভিন্ন সুবিধা।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নুরউদ্দিন রাসেল জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসে তারা তারকা খচিত যুগল। তাদের দেখে অনেকে প্রেম-ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ হন। তাদের দীর্ঘদিনের প্রেমের ক্যারিয়ারে আগামীকাল তারা বাঙালী সংস্কৃতিকে ধারণ করে পহেলা ফাল্গুনের সাজে উদযাপন করবেন।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.