যে কারণে তাহসানকে সাধুবাদ জানালেন সৃজিত!

দিন যত গড়ায়, সৃজিত–মিথিলার সম্পর্ক পরিণত হচ্ছে। তাদের মধ্যে দেশ, জাতি, ধর্মের যে ফারাক, তা তারা মেটাতে পেরেছেন শুধু পরিণত মানসিকতার কারণেই। এই অল্প সময়ের সম্পর্কেই তো বেশ চড়াই–উতরাই দেখে ফেললেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠল, হলো বিতর্ক, বাংলাদেশ–ভারতের গণমাধ্যমও তো রীতিমতো ব্যতিব্যস্ত ছিল মিথিলা–সৃজিতের প্রেম নিয়ে।

এরমাঝে শুরু থেকেই জড়িয়েছিলো একটি সতেজ প্রাণ, ৭ বছরের আয়রা। মিথিলা তাহসানের একমাত্র কন্যা সন্তান এই আয়রা। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর কিভাবে গ্রহণ করেছেন সৃজিতকে, তা নিজে গুঞ্জন ছিলো বেশ। তবে মিথিলা জানিয়েছেন স্বামী সৃজিতের সাথে মেয়ে আয়রার মাঝে সম্পর্কের কথা।   

‘দুজনে হলো টম অ্যান্ড জেরি। এই খুনসুঁটি, এই আবার দারুণ ভাব। যখন খুব মন–কষাকষি চলে বা আবদার করে কিছু পাওয়া যায় না, তখন আয়রার কাছে সৃজিত শুধুই সৃজিত। কিন্তু যখন সৃজিতের ফোনটা আয়রার চাই, তখন খুব ভাব, তখন আয়রার কাছে সৃজিত হয়ে যায় “বু”।’  এমনটাই জানালেন মিথিলা।

এদিকে, বু ডাকটা এসেছে আব্বু থেকে, সেটা জানিয়ে দিলেন সৃজিত। 

আয়রাকে ঘিরে সৃজিতের কিছু অন্য রকম অনুভূতির গল্প আছে, যে অনুভূতিগুলো তার কাছে একেবারেই নতুন, একেবারেই আনকোড়া। যেমন: আয়রার গলায় সৃজিতের সিনেমার গান। আয়রা নাকি প্রায়ই গুনগুন করে দ্বিতীয় পুরুষ–এর ‘যে কটা দিন’ গুনগুন করে গায়।

এই যে আয়রার সহজভাবে মিশে যাওয়া, ‘বু’–কে নিয়ে ভালো থাকা—এসবের জন্য সৃজিত কৃতিত্ব দিলেন আয়রার বাবা তাহসান ও মা মিথিলার লালনপালনকে, প্যারেন্টিংকে। 

সৃজিত বললেন, ‘আয়রা খুব সুন্দরভাবে মানিয়ে নেয়, বুঝতে পারে। কারণ, তার সামনে তাহসান ও মিথিলা আমাকে যেভাবে সম্বোধন করেন, মিথিলা যেভাবে আমাকে ও তাহসানকে ট্রিট করে, এটাই আয়রার কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। এ জন্য আমি তাহসান–মিথিলাকে সাধুবাদ জানাই।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.