বিশ্বে যা কিছু প্রথম

চারপাশে কত আধুনিকতার ছোঁয়া। কত আবিষ্কার জীবনকে করেছে সহজ এবং সুন্দর। কিন্তু এই আবিষ্কারগুলোকে এখন যে রূপে দেখা যায় শুরুতে তার রূপ এবং আকৃতি কিন্তু এক ছিল না।

 

চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের যা কিছু প্রথম এক নজরে-

 

মোটরসাইকেল

মোটরসাইকেল

প্রযুক্তির প্রসারের একটি অনন্য উদাহরণ। বর্তমানের অত্যাধুনিক মোটরসাইকেল বা বাইক এর আবিষ্কারক জার্মানির ব্যাড ক্যান্সটাট শহরের বিজ্ঞানী গটলিব ডিমলার ও উইলহেলম মেব্যাচ।

 

১৮৮৫ সালে নির্মিত এ বাহনটিকে মোটরসাইকেল না বলে ইঞ্জিনচালিত বাইসাইকেল বললেই যেন ঠিক হবে। যদিও উদ্ভাবকরা এটিকে পরিভ্রমণের গাড়ি’ নামে ডাকতেই পছন্দ করতেন।

 

এক্স-রে

এক্স-রে

চিকিৎসাবিজ্ঞানে অসাধারণ পরিবর্তন আনে এক্স-রে মেশিনের আবিষ্কার। জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী ভিলহেলম কনরাড রন্টগেন ১৮৯৫ সালে আবিষ্কার করেন ফটোগ্রাফিক প্লেটে এক রকমের আলো রয়েছে যা মানুষের দেহের মধ্যে ভেদ করে প্রতিক্রিয়া রেখে যেতে পারে। সেই আলো বা রশ্মির নাম ক্যাথোড রশ্মি এবং সেটাই ছিল বিশ্বের প্রথম এক্স-রে।

 

প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা

প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা

ফটোগ্রাফিক পণ্য নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কোডাকের ইঞ্জিনিয়ার স্টিভ স্যাসন ১৯৭৫ সালে ডিজিটাল ক্যামেরা আবিষ্কার করেন। টোস্টার মেশিনের মতো দেখতে এ যন্ত্রটি ১০০X১০০ রেজ্যুলেশন বা ০.০১ মেগাপিক্সেল আকারের সাদাকালো ছবি তৈরি করতে পারত। তারপর ছবিটি সংরক্ষণ করা হতো ক্যাসেটে।

 

অডিও ক্যাসেট আকারের সেই ক্যাসেটে একটি ছবি সংরক্ষণ করতে সময় লাগত ২৩ সেকেন্ড। ছবি দেখার জন্য এর সঙ্গে একটি স্পেশাল কম্পিউটার ও টেপ রিডার ক্যামেরার সঙ্গে বিল্ট ইন ছিল। টেপ থেকে এটি দেখতেও ২৩ সেকেন্ড সময় লাগত।

 

প্রথম ওয়েবসাইট

কোনো ওয়েব সার্ভারে রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টিকে বলা হয় ওয়েবসাইট। বর্তমানে বিশ্বে ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ওয়েবসাইট রয়েছে।

 

টিম বার্নার্স-লি ও তার কোম্পানি নেক্সট কম্পিউটারের উদ্যোগে ৬ আগস্ট, ১৯৯১ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব প্রজেক্টের অংশ হিসেবে ফ্রান্সের একটি অংশে চালু হয় বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইট।

 

প্রথম গগনচুম্বী ভবন

প্রথম গগনচুম্বী ভবন

আমেরিকার শিকাগো শহরে হোস ইনস্যুরেন্স ভবন- কে বিশ্বের প্রথম গগনচুম্বী ভবন বলে মনে করা হয়। এটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৮৫ সালে।

 

১০ তলাবিশিষ্ট ১৩৮ ফুট উচ্চতার এই ভবনটি ইস্পাত ও সিমেন্টের সমন্বয়ে নির্মাণ করা হয়। পরে দুটি তলা বাড়ানো হলে এর উচ্চতা দাঁড়ায় ১৮০ ফুট। ১৯৩১ সালে এটি ভেঙে ফেলা হয়।

 

 

আরও পড়ুন

শিক্ষা  অপরাধ  স্বাস্থ্য  অর্থনীতি  রাজনীতি  আন্তর্জাতিক  খেলাধুলা  লাইফস্টাইল  সারাদেশ

বিশ্বে বিশ্বে

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.