মুরাদের বিরুদ্ধে যত মামলা

বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

 

এছাড়া রাজশাহী ও খুলনায় তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

 

ঢাকা : ৭ ডিসেম্বর ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। অভিযোগ আমলে নিয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মুরাদ হাসান একটি ফেসবুক পেজে লাইভ অনুষ্ঠানে এসে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

 

এই বক্তব্যকে বিকৃত যৌনাচার ও বিদ্বেষমূলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারী সিজার তালুকদার।
এছাড়া রবিবার ১২ ডিসেম্বর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের সেরেস্তায় এ মামলার আবেদন করেন ঢাকা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ফারুকী।

 

মামলার বিষয়ে আগামীকাল সোমবার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার।

 

 

রাজশাহী অফিস: রবিবার মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করেছেন বগুড়া বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলাম।

 

সিলেট অফিস : সিলেটে সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার ১২ ডিসেম্বর দুপুরে সাইবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মুরাদসহ দুজনকে আসামি করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট তানভীর আক্তার খান বাদি হয়ে মামলাটি করেছেন।

 

চট্টগ্রাম অফিস : রবিবার ১২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এএসএম বদরুল আনোয়ার। ট্রাইব্যুনালের বিচারক অতিরিক্ত জেলা জজ এস. কে. এম. তোফায়েল হাসান মামলাটি আদেশের জন্য রেখেছেন।

 

খুলনা অফিস: ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে খুলনা সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম খুলনার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট. মোল্লা গোলাম মওলা এ আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে মঙ্গলবার আবেদনের জন্য শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

 

সম্প্রতি একটি ভার্চুয়াল টকশোতে জাইমা রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন ডা. মুরাদ। এরপর তার সমালোচনা করেন অনেকে। তার পদত্যাগের দাবিও ওঠে। এছাড়া ঢাকাই সিনেমার নায়িকা মাহীর সঙ্গে অডিও ফাঁসের ঘটনায় নানা সমালোচনার মুখে পড়েন ডা. মুরাদ।

 

এছাড়া বেশি কিছু বিষয় নিয়ে তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পদত্যাগের পর বৃহস্পতিবার রাতে কানাডার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন মুরাদ হাসান।

 

কোভিড ভ্যাকসিন সংক্রান্ত কাগজপত্র না থাকায় ডা. মুরাদ হাসানকে কানাডায় ঢুকতে না দিয়ে দুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে তাকে তুলে দেওয়া হয়। তবে সেখানেও তিনি ঢুকতে না পেরে অবশেষে রবিবার ঢাকায় ফেরেন তিনি।

 

 

আরও পড়ুন

শিক্ষা  অপরাধ  স্বাস্থ্য  অর্থনীতি  রাজনীতি  আন্তর্জাতিক  খেলাধুলা  লাইফস্টাইল  সারাদেশ

বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.