বাগেরহাটে স্বাস্থ্যকেন্দ্র মেরামত কাজে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মোরেলগঞ্জ ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে মেরামতের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারসহ দায়সারাভাবে কাজ করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। প্রকৌশলী ও কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওবায়দুল রহমান এ অনিয়মের সহযোগীতা করছেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

এতে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে মনে করেন তারা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কাজের মান যাতে সঠিক হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ১৯৯১ সালে একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। ভবনটি বর্তমানে ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়ায় সেটি মেরামতের কাজ চলছে। এ মেরামত কাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারসহ দায়সারাভাবে কাজ করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ও খসেপড়া পলেস্তারার উপর রঙের প্রলেপ দিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া ধুলো মাটির উপর টাইলস্ বসানোর কারণে সেটি কতদিন স্থায়ী হবে সে ব্যাপারে কোনো তদারকি নেই বলেও জানান অনেকে।

মোরেলগঞ্জ ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ পরিদর্শক তাসলিমা নাসরিন জানান, ভবনটিতে একেবারে নিম্নমানের মালামাল দিয়ে মেরামত কাজ করা হচ্ছে। এ মেরামত কাজ শেষ করার আগেই পলেস্তারা খসে পড়ছে। এটি কোনো ভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। এ ব্যাপারে কাজের ঠিকাদার গোপালগঞ্জে অনিকের কাছে যোগাযোগ করার চেস্টা করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেনি তাই তার বক্তব নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওবায়দুল রহমান জানান, কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারকে কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না। প্রয়োজনে পুনরায় সঠিকভাবে কাজ করানো হবে।


মোরেলগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দিলদার হোসেন জানান. কাজের সিডিউল সম্পর্কে আমরা কিছুই জানিনা। সিডিউল ছাড়া কাজ শুরু করেছে আমি সিডিউল মোতাবেক ইন্জিনিয়ার এর কাজ থেকে শতভাগ কাজ বুঝে নিয়ে বিল ভাউচারে সহি করব।কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারকে কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না। প্রয়োজনে পুনরায় সঠিকভাবে কাজ করানো হবে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.