Thu. Dec 5th, 2019

ফুলবাড়িয়া বাস স্ট্যান্ডে ময়লার ভাগাড়

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রাণকেন্দ্র গুলিস্তানের পাশেই ফুলবাড়িয়া বাস স্ট্যান্ড। প্রতিদিন এখান থেকে হাজারো যাত্রী দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। এছাড়া ব্যবসায়িক কারণেও এই স্থানটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অথচ ছোট পরিসরের এই স্ট্যান্ডে রয়েছে সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার ভাগাড়। এ কারণে দুর্গন্ধে যাত্রী ও পথচারীসহ সাধারণ মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, একটি পরিত্যক্ত ট্রাক ও তার আশপাশ জুড়ে ময়লার একটি বিশাল স্তূপ পড়ে আছে। এই স্থানটিতে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা আসেন না বলে অভিযোগ আশপাশের দোকানিদের। যার ফলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই এলাকায় ময়লা পড়ে থেকে  দুর্গন্ধ ছড়ায়।

ভস্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী সোহেল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এখানে প্রায়ই দেখি ময়লা পড়ে থাকে। এর কারণে দোকানে কাস্টমারও কম আসে। দুর্গন্ধ তো আছেই। বিশেষ করে, পথটি অতিক্রম করার সময় শিশুদেরকে বেশি কষ্ট করতে হয়। অনেক শিশুকে দেখেছি বমি করতে। সিটি করপোরেশনকে অনেকবার অভিযোগ দিয়েছি। কাউন্সিলরকে বলেছি। কিন্তু এখান থেকে ডাস্টবিন সরানো হয় না।’

শুধু এই স্থানটি নয়, এই এলাকার নগর ভবনের পেছনের গেট সংলগ্ন অন্যতম পাইকারি বাজার ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের পাশেও একটি ময়লার ডাস্টবিন দেখা গেছে। তবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ডাস্টবিনটিতে ময়লা পড়ে থাকতে দেখা গেলেও করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দুপুরের দিকে এসে এটি পরিষ্কার করেন। যার ফলে এই মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা মানুষসহ পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাছাড়া ঈদ উপলক্ষে মার্কেটটিতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়লে দুর্ভোগের মাত্রা আরও বাড়বে।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই ডাস্টবিনগুলো পরিষ্কার করি। কিন্তু টার্মিনাল ও আশপাশের ওই এলাকায় বেশি ময়লা হয়। যার ফলে পরিষ্কার করার কিছু সময়ের মধ্যেই আবার বিনগুলো ভরে যায়।’  তার দাবি, প্রতিদিন সকাল ও বিকালে গেলে ওই জায়গায় ময়লা পাওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘দিন দিন শহরে মানুষ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ময়লাও বাড়ছে। কিন্তু ময়লা ব্যবস্থাপনা করার জন্য জায়গা পাওয়া যায় না। বিশেষ করে, পুরান ঢাকায় এই সমস্যা বেশি। তাছাড়া লোকবলের সমস্যা তো আছেই। এর পরেও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। ময়লা আবর্জনা অপসারণে প্রতি বৃহস্পতিবার নাইট শিফটও চালু করেছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *