Fri. Oct 18th, 2019

বুয়েট ছাত্রলীগ নেতা অমিত শাহ গ্রেফতার

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র অমিত বুয়েট ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপ সম্পাদক। আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন হিসেবে তার নাম আসার পরও মামলায় তার নাম না থাকা নিয়ে গত দুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় এক আত্মীয়র বাসা থেকে অমিতকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুয়েটের শেরেবাংলা হলের যে ২০১১ নম্বর কক্ষে গত রোববার রাতে কয়েক ঘণ্টা ধরে নির্যাতিন চালিয়ে তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়, সেই কক্ষেরই আবাসিক ছাত্র অমিত।

সেদিন আবরারকে ওই কক্ষে ডেকে নেওয়ার আগে অমিত মেসেঞ্জারে আবারের খোঁজ করেন তার এক সহপাঠীর কাছে, যার স্ক্রিনশট পরে ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

সোমবার দিনভর বুয়েটে তদন্ত চালিয়ে ভিডিও ফুটেজ দেখে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, পরে গ্রেপ্তার করা হয় আরও তিনজনকে।

ওই ১৩ জনসহ মোট ১৯ জনকে আসামি করে ঢাকার চকবাজার থানায় একটি মামলা করেন আবরারের বাবা, যেখানে অমিতের নাম না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বুয়েট শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা দুদিন আগে বলেছিলেন, অমিত সাহা গত ২ অক্টোবর দেশের বাড়ি গেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।

অন্যদিকে আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, আবরার হত্যার পর থেকেই অমিত সাহা পলাতক। ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে’ তার নাম মামলার এজাহারে রাখেনি পুলিশ।

বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাই যে ফেইসবুকে মন্তব্যের সূত্র ধরে শিবির সন্দেহে আবরারকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে, তা সংগঠনটির তদন্তেও উঠে এসেছে। ওই ঘটনায় বুয়েট ছাত্রলীগের ১১ জনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।তবে সেখানেও অমিতের নাম নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *