Sun. Jan 19th, 2020

গত ১০ জানুয়ারি বিগস্ক্রিনে রিলিজ করেছে মেঘনা গুলজারের ছবি ‘ছপাক’। অ্যাসিড অ্যাটাক সারভাইভার লক্ষ্মী আগরওয়ালের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। চোখ ধাঁধানো মেকআপের বদলে অ্যাসিডে ঝলসানো তামাটে চামড়াতেই এবার পর্দায় দেখা গিয়েছে দীপিকা পড়ুকোনকে। 

কিন্তু এর ব্যবসায়িক ফলাফল ভালো আসছে না। কারণ হিসেবে উঠে এসেছে জওহরলাল নেহেরু নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি, এই পদক্ষেপকে প্রচারের অংশ বলেছিলেন, আবার কেউ তার তীব্র সমালোচনাও করেছিলেন। 

Image result for দীপিকার ছপাক

শাসক দলের রোষের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাকে। ছবি বয়কট করার রবও উঠেছিল। এই সবের মধ্যেই ১০ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে দীপিকা পাডুকোনের ছপাক ছবিটি। কিন্তু মুক্তির তিন দিন পর সামনে উঠে আসছে আরও অসঙ্গতি।

দীপিকার উপর আক্রোশ মেটাতে কেউ কেউ ছপাক ছবির আইএমডিবি রেটিংয়ের দিকেও হাত বাড়িয়েছেন। আইএমডিবি-তে এখনও পর্যন্ত ছপাক ছবিটি মোট ৬৯০০ ভোট পেয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪ হাজারটি ভোট মাত্র ১ পয়েন্ট রেটিং পেয়েছে। এর ফলে গড় রেটিং নেমে এসেছে ৪.৪ স্টারে। অন্যদিকে অজয় দেবগণের তানাজি গড় ৮.৮ স্টার রেটিং পেয়েছে।

এই নেতিবাচক পরিস্থিতিতেও আশার কথা শোনাচ্ছেন ট্রেড অ্যানালিস্ট ও ফিল্ম সমালোচকরা। ফিল্ম ট্রেড অ্যানালিস্ট গিরিশ জোহার জানিয়েছেন, দীপিকার জেএনইউ যাওয়ার উপর ছবির সাফল্য একেবারেই নির্ভর করছে না। তিনি আশাবাদী দ্রুত বক্স অফিসে এই ছবিও প্রভাব ফেলতে শুরু করবে।

ফিল্ম এগজিবিটর অক্ষয় রাঠি জানিয়েছেন, ‘এই ছবি ঘিরে যা বিতর্ক হচ্ছে তার সিংহভাগটাই সোশ্যাল মিডিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়া যদি বাস্তবের প্রতিফলন হত তাহলে হিসেবটা একেবারে অন্য রকম হত। 

ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে দেশে মোট ৩৮৮০টি স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে তানাজি, সেখানে ছপাক মুক্তি পেয়েছে ১৭০০টি স্ক্রিনে। বিদেশে তানাজি মুক্তি পেয়েছে ৬৬০টি স্ক্রিনে এবং ছপাক পেয়েছে ৪৬০টি স্ক্রিন। ফলে এর থেকেও অনুমান করা যেতেই পারে কেন ছপাকের থেকে বক্স অফিস কালেকশনে এগিয়ে রয়েছে তানাজী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *